• বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিএমপি গোয়েন্দা শাখার অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১ বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারপার্সন এর দায়িত্ব নিলেন জনাব তারেক রহমান। টার্গেট কিলিংয়ের ছায়ায় রাজনীতি: গুলির নিশানায় নেতৃত্ব, প্রশ্নের মুখে রাষ্ট্র! বরিশাল বেলস পার্ক এলাকায় ছিনতাই, এক ছিনতাইকারী আটক; পুলিশের তৎপরতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বস্তি অসুস্থ ফটো সাংবাদিক আশরাফ সুমন: সহকর্মীদের দোয়া ও সহমর্মিতায় ভরসা নির্ধারিত ম্যাপ উপেক্ষা করে খাল খনন, বরিশালের চরকাউয়ায় বিএডিসির সেচ প্রকল্প ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদি হত্যাকাণ্ড: ১৭ জনের বিরুদ্ধে ডিবির চার্জশিট ঢাকা যাত্রাবাড়ীতে ডিবির অভিযানে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার সম্পদ বিবরণী না দেওয়ায় দুদকের মামলায় বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ কুয়াকাটায় গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার!

দৈনিক নাগরীক বরিশালে প্রতিবেদন প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই আটক বরিশাল রসুলপুরের সোহাগী।

প্রতিনিধি / ১২৫ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

রসুলপুর থেকে ৩২ পুরিয়া গাঁজাসহ গ্রেপ্তার আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী। 

নিয়াজ শেখ: বরিশাল নগরীর রসুলপুর এলাকার আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী সোহাগীকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দৈনিক নাগরীক বরিশাল-এ প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই কোতয়ালী থানার একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
পুলিশ জানায়, গতকাল রাতের অভিযানে রসুলপুরের নিজ বাসা থেকে সোহাগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৩২ পুরিয়া (প্রায় ১৫০ গ্রাম) গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোতয়ালী থানার এসআই পার্থ, এএসআই সাইফুল, খাইরুল, বাবুল, জিয়া এবং নারী কনস্টেবল মাসুমা। গ্রেপ্তারের পর উদ্ধারকৃত মাদক জব্দ করে সোহাগীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে দৈনিক নাগরীক বরিশাল-এ প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে—সোহাগীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা, পুলিশের তালিকাভুক্ত অপরাধী হওয়া এবং সংবাদ প্রকাশের পরও দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার বিষয়টি। প্রশ্ন তোলা হয়, পুলিশের একাধিক অভিযানের আগেই কীভাবে সোহাগী ও তার সহযোগীরা নিরাপদে পালিয়ে যায় এবং অভিযান শেষে কীভাবে আবার প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা শুরু হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর নগরজুড়ে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটেই কোতয়ালী থানার টিম সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোহাগীকে আটক করতে সক্ষম হয়। যদিও উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমাণ তুলনামূলক কম, তবুও আলোচিত মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে যে অনাস্থা তৈরি হয়েছিল—এই গ্রেপ্তার তার কিছুটা হলেও অবসান ঘটাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাকিব বলেন, মাদক কম বা বেশি বিষয় না, বড় কথা হলো—যাকে কেউ ধরতে পারছিল না, তাকে অবশেষে ধরা হয়েছে। এতে মানুষ আবার আইনের ওপর আস্থা ফিরে পাবে। প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্য এবং তার পরবর্তী গ্রেপ্তার প্রশাসনের জন্য একদিকে যেমন স্বস্তির বার্তা, অন্যদিকে তেমনি ভবিষ্যতে আরও ধারাবাহিক ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তার কথাও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। সচেতন মহলের মতে, একজন শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করাই যথেষ্ট নয়—তার পুরো নেটওয়ার্ক, সহযোগী ও আর্থিক যোগসূত্রের দিকেও নজর দিতে হবে। তবেই মাদকবিরোধী অভিযান কাগজে-কলমে নয়, বাস্তব অর্থেই সফল হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...

https://slotbet.online/