নিজস্ব প্রতিবেদক,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্য রুমিন ফারহানা। নির্বাচনের আগে বিরোধী শিবির থেকে যোগাযোগের প্রস্তাব এলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, সিদ্ধান্তটি ছিল রাজনৈতিক অবস্থান ও ব্যক্তিগত নীতির প্রশ্নে।
শুক্রবার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, নির্বাচনের শেষদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী দল যখন ফলাফলের সম্ভাব্য চিত্র অনুধাবন করে, তখন তার সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব আসে। এমনকি সংসদ সদস্যের চেয়েও উচ্চতর দায়িত্বের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তবে তিনি সেসময় আলোচনায় বসতে রাজি হননি।
রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সরাসরি সংঘাতের ভাষা ছিল না, বরং ছিল অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা। তিনি বলেন, জনগণের রায় ঘোষণার আগে কোনো সমঝোতায় যেতে চাননি। ভোট-পরবর্তী সময়েও কয়েক দফা ফোনকলের কথা উল্লেখ করলেও সেগুলো নিয়ে মন্তব্য করতে অনাগ্রহ দেখান।
নির্বাচনের ফলাফলকে তিনি ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবে না দেখে সমর্থক, কর্মী ও সাধারণ ভোটারের সম্মিলিত সাফল্য হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। এমনকি যাঁরা তার বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন, তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান। তার মতে, রাজনৈতিক আচরণই ভোটারদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
সরাইলের দীর্ঘদিনের দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও প্রভাবভিত্তিক রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নির্বাচনী এলাকার সহিংস ও প্রভাবশালী চক্র ভাঙতে তিনি কাজ করবেন। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল—এই নির্বাচন শুধু প্রার্থী বদলের নয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতিরও একটি পরিবর্তনের বার্তা বহন করে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয় এবং পরবর্তী সময়ে অবস্থান পরিষ্কার করা—দুটোই স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে জাতীয় পর্যায়ে এর প্রভাব কতদূর বিস্তৃত হবে, তা নির্ভর করবে তার পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের ওপর।
নবনির্বাচিত এই সংসদ-সদস্যের সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ—নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং বহুমাত্রিক রাজনৈতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা। তার ভাষায়, “রাজনীতি মানুষের জন্য হলে মানুষই শেষ কথা
https://slotbet.online/