• মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজধানীতে পুলিশের সাথে গোলাগুলি। গ্রেফতার ১ বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা। বরিশালে সিটি প্রশাসকের ‘অপারেশন ড্রেজার’ নবনির্মিত রাস্তা রক্ষায় তাৎক্ষণিক অ্যাকশন। পুলিশ কমিশনারের সাথে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ: সার্বিক নিরাপত্তা ও অপরাধমুক্ত নগর গড়ার অঙ্গীকার। বরিশাল আদালত চত্বরে বিস্ফোরন:নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও তদন্ত শুরু বরিশালে ভুয়া ভিডিও দিয়ে পুলিশ কনস্টেবলকে হয়রানির অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি ভুক্তভোগীর। বরিশাল কাউনিয়া থানা পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ১৪টি দেশীয় অস্ত্র, গ্রেপ্তার ২ বরিশালে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ​ব্ল্যাঙ্ক চেক সিন্ডিকেট: চড়া সুদের ফাঁদে ভিটেমাটি শেষ। বিএমপি কমিশনারের আকস্মিক পরিদর্শন:থানা-ফাঁড়িতে স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব সেবার নতুন দিশা। লাইসেন্স নবায়নে চরম অনিয়ম, তদারকির অভাবে ঝুঁকিতে রোগীসেবা; উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়েছে শত শত ঘর।

প্রতিনিধি / ১৬১ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬

কক্সবাজার, বাংলাদেশ — বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে আবারও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার গভীর রাতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লাগা আগুনে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০টি ঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ক্যাম্পটির ডি-৪ ব্লকে অবস্থিত ব্র্যাক পরিচালিত একটি শিখন কেন্দ্র (লার্নিং সেন্টার) থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের বসতঘর ও অস্থায়ী শেডে ছড়িয়ে পড়ে। ঘনবসতিপূর্ণ ও দাহ্য সামগ্রীতে তৈরি ঘরগুলোতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
গভীর রাতে আগুন লাগায় ক্যাম্পবাসীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক পরিবার ঘুম থেকে উঠে জীবন বাঁচাতে প্রয়োজনীয় কিছুই সঙ্গে নিতে না পেরে নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। নারী, শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে আতঙ্ক ছিল সবচেয়ে বেশি।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর সকাল ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তিনি বলেন, “এ ঘটনায় অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০টি ঘর পুড়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।”
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি। তবে বহু পরিবার সম্পূর্ণভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি হাসপাতাল আগুনে পুড়ে যায়। তার একদিন আগে, ২৫ ডিসেম্বর রাতে কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পে আগুনে অন্তত ১০টির বেশি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
বারবার এমন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপণ সক্ষমতা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলসহ সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘনবসতি, অপর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দাহ্য নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে এসব ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড একটি নিয়মিত ও মারাত্মক হুমকিতে পরিণত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...

https://slotbet.online/