অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্টের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। বুধবার হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় তিনি সদ্যসমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে রহমানের বিজয়কে “ঐতিহাসিক” হিসেবে উল্লেখ করেন।
বার্তায় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের পক্ষ থেকে তিনি বাংলাদেশ ও এর নতুন নেতৃত্বের প্রতি শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকারের অধীনে বাংলাদেশ গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথে অগ্রসর হবে। একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বকে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ক হিসেবে বর্ণনা করেন।
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি “মুক্ত ও উন্মুক্ত” কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের যৌথ স্বার্থ রয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। ট্রাম্প বলেন, বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং বিদ্যমান চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়ন দুই দেশের কৃষক, শ্রমিক ও উদ্যোক্তাদের জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে।
প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়টিও বার্তায় গুরুত্ব পায়। নিয়মিত প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংলাপ জোরদার করার পাশাপাশি উন্নত সামরিক সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়। ট্রাম্পের মতে, এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী হবে এবং সামরিক সহযোগিতা আরও গভীর হবে।
নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও পৃথক বিবৃতিতে নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানায়। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ-সহ একাধিক বিশ্বনেতা শুভেচ্ছা জানান।
শপথ গ্রহণের পর জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণে তারেক রহমান জাতীয় ঐক্য জোরদার, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ত্বরান্বিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণও তার অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে বলে জানান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের ইতিবাচক বার্তা বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতায় নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক প্রেক্ষাপটে কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় ঢাকার ভূমিকাও আরও গুরুত্ব পেতে পারে।
https://slotbet.online/