• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এলপিজির তীব্র সংকট, ১২ কেজির সিলিন্ডার ২১০০ টাকা। বাবাকে মারধর, চা-রুটি হাতে ৯ বছরের মেয়ের ছুটে আসা। বিএমপি ডিবির অভিযানে ১,০০০ পিস কথিত ইয়াবাসহ আটক ১ বরিশালে সোহাগীকে ধরতে ব্যার্থ অভিযান : রসুলপুরে মাদক সিন্ডিকেটের ‘গা-ঢাকা’ কৌশল। বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানের আড়ালে সক্রিয় রসুলপুরের সোহাগী সিন্ডিকেট। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’র গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়’র প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মন্জুর সুমন এর বরিশাল শুভাগমনে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম বরিশাল জেলা দক্ষিন ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এ-সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের বরিশাল জেলা দক্ষিন আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান মিল্টন, মহানগর আহবায়ক মো. জুয়েল খান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বরিশাল কাউনিয়া থানার বিশেষ অভিযানে ১৫ দিনে ৯৩ জন আটক। বরিশালে ভাড়া বাসা থেকে আইনজীবি সহকারীর লাশ উদ্ধার। মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর কাউনিয়া থানা। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ!

যেভাবে হয়েছিল মহানবি (সা.)-এর কাফন ও দাফন

প্রতিনিধি / ৪৯০ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

মহানবি (সা.)-এর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) সীমাহীন ব্যথার ভারে মূহ্যমান হয়ে যান। তাঁদের অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন যে নবীজি (সা.) দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। ব্যথার ভার তাদেরকে অনেকটাই নিশ্চল করে দিয়েছিল। ফলে শোক ও ব্যথার ঘোরে কেটে গেল তাদের অনেকটা সময়। এরপর শুরু হলো নবীজি (সা.)-এর স্থলাভিষিক্ত কে হবেন তা নিয়ে।

 

এ বিষয়ে প্রত্যেকেই নিজ নিজ মতের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরলেন। অবশেষে আবু বকর (রা.)-এর নেতৃত্বের ব্যাপারে ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হলো। এতেও কিছু সময় ক্ষেপন হলো। এই অবস্থায় সোমবার দিবাগত রাত অতিবাহিত হয়ে মঙ্গলবার সকালের আগমন ঘটে। এ সময় পর্যন্ত নবীজি (সা.)-এর পবিত্র দেহ মোবারক একটি জরিদার ইয়েমেনি চাদর দ্বারা আবৃত ছিল। তিনি নিজ বিছানায় শায়িত ছিলেন। ঘরটি ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে রাখা ছিল।

মঙ্গলবার দিনে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে কাপড়সহ গোসল দেওয়া হলো। গোসল দেওয়ার কাজে অংশ গ্রহণ করলেন আব্বাস (রা.), আলী (রা.), আব্বাস (রা.)-এর ছেলে ফজল ও কাশেম (রা.)। তাদের সঙ্গে ছিলেন রাসুলে আকরাম (সা.)-এর আজাদকৃত দাস শাকরান, উসামা বিন জায়েদ ও আউস বিন খাওলি (রা.)। আব্বাস, ফজল ও কাশেম (রা.) নবীজি (সা.)-এর পাশ পরিবর্তন করে দিচ্ছেলেন। উসামা এবং শাকরান (রা.) পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন, আলী (রা.) ধৌত করছিলেন এবং আউস (রা.) নবী কারিম (সা.)-এর দেহ মোবারককে আপন বক্ষের ওপর ভর করে নিয়ে রেখেছিলেন।

রাসুলুল্লাহকে তিনবার কুল পাতার মিশ্রিত পানি দ্বারা গোসল দেওয়া হয়। কুবায় অবস্থিত ‘গারস’ নামক কূপের পানি দিয়ে তাঁকে গোসল দেওয়া হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) এই কূপের পানি পান করতেন। গোসলের পর তিনটি কুরসুফ হতে তৈরী সাদা ইয়েমেনি চাদর দ্বারা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাফনের ব্যবস্থা করা হলো। এসবের মধ্যে জামা কিংবা পাগড়ি ছিল না।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অন্তিম শয্যা কোথায় হবে তা নিয়ে সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-এর ভেতর মতভিন্নতা ছিল। কিন্তু আবু বকর (রা.) বললেন, ‘আমি নবীজি (সা.)-কে বলতে শুনেছি যে, ‘কোনো নবীকে (পৃথিবী) থেকে উঠানো হয়নি (মৃত্যুবরণ করেননি) তাঁকে সেই স্থানে দাফন করা ছাড়া যেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।’ এই মীমাংসার পর নবীয়ে আকরাম (সা.) যে বিছানায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন আবু তালহা (রা.) তা উঠিয়ে নিলেন। অতঃপর তার নীচে বগলি কবর খনন করা হলো।

এরপর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) পালাক্রমে ১০ জন করে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে জানাজা আদায় করলেন। তাঁর জানাজার নামাজে নির্ধারিত কোনো ইমাম ছিল না। সর্বপ্রথম নবীজি (সা.)-এর পরিবার বনু হাশিমের লোকেরা জানাজা আদায় করেন। এরপর ক্রমান্বয়ে মুহাজির ও আনসাররা জানাজা নামাজ আদায় করেন। অতঃপর ক্রমান্বয়ে অন্যান্য পুরুষ, মহিলা ও শিশুরা নামাজ আদায় করেন।

Copied from: https://rtvonline.com/

জানাজার নামাজে আদায় করতে মঙ্গলবার দিবস পুরোটাই অতিবাহিত হয়ে যায়। মঙ্গলবার দিবস অতিবাহিত হওয়ার পর বুধবার রাতে নবী কারিম (সা.)-এর দেহ মোবারক সমাহিত করা হয়। আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, পুরো দিনটিই জানাজার নামাজ চলার কারণে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দাফন সম্পর্কে আমাদের জানা ছিল না। এভাবে সময় অতিবাহিত হতে থাকার পর বুধবার রাতের মধ্যভাগে দাফন-কাফনের শব্দ কানে আসে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...

https://slotbet.online/