• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ! বরিশালে ডিবি পুলিশের হাতে ১০০ পিস ইয়াবাসহ রেজা আটক। বরিশাল শায়েস্তাবাদে কাউনিয়া থানা পুলিশের কমিউনিটি পুলিশিং সভা। বরিশালে ডিবির চেকপোস্টে ২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন আটক বরিশালে অন্যের জমি ও দোকানঘর দখলে রাখতে পুলিশের নামে অপপ্রচার ভাড়াটিয়ার। বরিশালে নানা অভিযোগ বৃক্ষরোপণ নিয়ে দৌড়ঝাঁপ খবর নেই পরিচর্যার। কাউনিয়া থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, গাঁজাসহ ৫ জন গ্রেপ্তার। কাউনিয়া থানার গতিশীল কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পায়তারার অভিযোগ একটি মহলের বিরুদ্ধে বরিশালে মাদক নির্মূলে পুলিশ ও র‍্যাবের সমন্বিত অভিযানের দাবি: ধরা পড়ছে চুনোপুটি, অধরাই রাঘববোয়াল বরিশাল রূপাতলী হাউজিংয়ে রনির মাদক সাম্রাজ্য ও ‘হানি ট্র্যাপ’ সিন্ডিকেটের রহস্য উন্মোচন।

বরিশালে ডিবি পুলিশের হাতে ১০০ পিস ইয়াবাসহ রেজা আটক।

প্রতিনিধি / ৫০ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাদক ছাড়াও চোরাই মোটরবাইক কেনাবেচা চক্রের সাথে সম্পৃক্ততা অভিযোগ রেজার বিরূদ্ধে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল নগরীতে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. মাহমুদুর রহমান রেজা (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৬টার দিকে নগরের কাউনিয়া থানাধীন ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএমপি গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক জনাব সুজিত নেতৃত্বে একটি বিশেষ আভিযানিক দল বিসিক শিল্পনগরীর মেসার্স নাফিজা পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক রিসাইক্লিং কারখানার সামনের সড়কে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় রেজাকে তল্লাশি করে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। আটক রেজা কাউনিয়া থানার নয়াবাড়ী লয়াস টাওয়ার এলাকার আলহাজ মো. জাকির হোসেনের ছেলে। বিএমপি মিডিয়া সেল আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে রেজা আটকের পর তাকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ প্রকাশ্যে আলোচনায় এসেছে। একাধিক সূত্রের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত। একই সঙ্গে চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার একটি চক্রের সঙ্গেও তার যোগাযোগ রয়েছে বলে সূত্রগুলো দাবি করেছে। সূত্রগুলোর দাবি, কাউনিয়ার কমিশনার গলি, আমিনবাড়ী, আকনভিলা, হরিজন কলোনি, বিসিক বড় পুকুরপাড় ও গীর্জা মহল্লাসহ কয়েকটি এলাকায় রেজার মাদক সরবরাহের যোগাযোগ রয়েছে। নগরীর কয়েকটি আবাসিক হোটেলেও মাদক সরবরাহের তথ্য সাংবাদিকদের হাতে এসেছে (গোঁপনীয়তা রক্ষায় এই মূহুর্তে হোটেল গুলোর নাম সংবাদে প্রকাশ করা যাচ্ছে না)। বেশ কয়েকদিন পূর্বে সদর রোড থেকে পুলিশের হাতে আটক হওয়া মোটরবাইক চোর চক্রের সদস্য আকাশ নামক যুবকের সাথে রেজার দীর্ঘদিনের গোঁপন যোগাযোগ রয়েছে বলেও জানা যায়। ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় রেজার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি মাদকের উৎস ও সম্ভাব্য সরবরাহ চেইন অনুসন্ধান করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ইয়াবাগুলো কোথা থেকে এসেছে, কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একইভাবে চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে রেজার যোগাযোগের অভিযোগও যাচাই করা প্রয়োজন। তার পূর্বের মামলা, সাধারণ ডায়েরি, মাদকসংক্রান্ত অভিযোগ কিংবা চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনায় তার নাম এসেছে কিনা, তা সংশ্লিষ্ট নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। জেলহাজতে থাকায় রেজার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে। পরবর্তী পর্বে রেজার মাদক চক্রের আরো কিছু সদস্যদের বিস্তারিত নিয়ে আসছি আপনাদের সামনে। সে পর্যন্ত চোঁখ রাখুন নাগরীক বরিশালের ফেসবুক পেইজে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...

https://slotbet.online/