• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বহু নাটকীয়তার পর সাভারের বহিষ্কৃত ছাএদল নেতা সামির ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার সাভারে জোড়া মামলায় ‘পিস্তল মানিক’ গ্রেপ্তার, প্রধান আসামি সামির এখনও অধরা *পরকীয়া; একটি ভয়ানক সামাজিক ব্যাধি* ৫ নম্বর ওয়ার্ড সচিব জসিমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ! বরিশাল পলাশপুর এলাকায় বাবুর সাহসিকতায় মাদকের বিরুদ্ধে তরুণদের দৃষ্টান্তমূলক প্রতিরোধ গঠন। ব্যক্তিগত সুদের চুক্তি বা চেকের আইনি বৈধতা নেই: জেনে নিন বৈধ ক্ষুদ্রঋণের নিয়ম সিএমপি মেট্রোপলিটন পুলিশে ব্যাপক রদবদল। বরিশালে কোতোয়ালি থানা পুলিশের অভিযান: নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ইয়াবা ও মোটরসাইকেল উদ্ধার ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব: নেতিবাচক অর্থনৈতিক প্রভাব ও উত্তরণের উপায় ৫ জেলায় নতুন এসপি, পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১২ কর্মকর্তাকে বদলি

স্বচ্ছল পরিবারের সন্তান হয়েও চুরিতে আসক্তি বরিশালের টুকুর : সামারী ট্রায়ালে ২ বছরের কারাদণ্ড।

প্রতিনিধি / ১৪২ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

 হাফেজ হয়েও চুরিতে আসক্তি : হতবাক নগরবাসী!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল | ১১ এপ্রিল, ২০২৬

​বরিশাল নগরীর কালিবাড়ি রোড এলাকার এক স্বচ্ছল পরিবারের সন্তান খান আরিফ ওরফে টুকু আবদুল্লাহ। পরিবারের সামাজিক মর্যাদা আর নিজের ধর্মীয় শিক্ষার (কোরআনের হাফেজ) পরিচয় ছাপিয়ে এখন তার নতুন পরিচয় ‘পেশাদার চোর’। গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নগরীর নাজির মহল্লা এলাকায় চুরি করতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে আটক হওয়ার পর তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে মোবাইল কোর্ট।
​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বরিশাল নাজির মহল্লা এলাকার একটি বাসায় চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন টুকু। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরে খবর দেওয়া হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। জনরোষ থেকে উদ্ধার করে পরবর্তীতে তাকে মোবাইল কোর্টের সামনে হাজির করা হলে অপরাধ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিচারক তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে।
“স্বভাব না যায় মলে, আর ইলত না যায় ধুলে।”
​টুকুর পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্য স্থানীয়দের হতবাক করে দিয়েছে। তিনি কালিবাড়ি রোডের স্থায়ী বাসিন্দা এবং তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা বেশ স্বচ্ছল। পরিবারের অন্য সদস্যদের সামাজিক অবস্থানও বেশ সম্মানজনক। অথচ পরিবারের সেই সুনামের বিপরীতে টুকু বেছে নিয়েছেন অন্ধকার পথ। এলাকাবাসীর দাবি, চুরি করা যেন টুকুর এক প্রকার ‘নেশায়’ পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন সময় নগরীর একাধিক বাসা-বাড়িতে চুরির ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ​সবচেয়ে বেশি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে টুকুর ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে। তিনি একজন হাফেজে কোরআন হওয়া সত্ত্বেও কেন এমন অপরাধে জড়িয়ে পড়লেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে আলোচনার ঝড়। নেটিজেনরা ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করে বলছেন, পবিত্র কোরআনের হাফেজ হয়েও এমন হীন কাজ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ​কালিবাড়ি রোডের বাসিন্দারা জানান, টুকুর পরিবারের অন্য সদস্যরা সজ্জন হলেও টুকু ব্যতিক্রম ও অবাধ্য ছিলেন। বর্তমানে তার এই সাজা পাওয়ার ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও সচেতন মহলের দাবি, সুস্থ ও স্বচ্ছল পরিবেশ থেকেও কেউ যখন অপরাধে জড়ায়, তা সমাজের জন্য চরম অশনিসংকেত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...

https://slotbet.online/