• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এলপিজির তীব্র সংকট, ১২ কেজির সিলিন্ডার ২১০০ টাকা। বাবাকে মারধর, চা-রুটি হাতে ৯ বছরের মেয়ের ছুটে আসা। বিএমপি ডিবির অভিযানে ১,০০০ পিস কথিত ইয়াবাসহ আটক ১ বরিশালে সোহাগীকে ধরতে ব্যার্থ অভিযান : রসুলপুরে মাদক সিন্ডিকেটের ‘গা-ঢাকা’ কৌশল। বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানের আড়ালে সক্রিয় রসুলপুরের সোহাগী সিন্ডিকেট। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’র গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়’র প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মন্জুর সুমন এর বরিশাল শুভাগমনে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম বরিশাল জেলা দক্ষিন ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এ-সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের বরিশাল জেলা দক্ষিন আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান মিল্টন, মহানগর আহবায়ক মো. জুয়েল খান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বরিশাল কাউনিয়া থানার বিশেষ অভিযানে ১৫ দিনে ৯৩ জন আটক। বরিশালে ভাড়া বাসা থেকে আইনজীবি সহকারীর লাশ উদ্ধার। মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর কাউনিয়া থানা। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ!

দৈনিক নাগরীক বরিশালে প্রতিবেদন প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই আটক বরিশাল রসুলপুরের সোহাগী।

প্রতিনিধি / ৩২৮ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

রসুলপুর থেকে ৩২ পুরিয়া গাঁজাসহ গ্রেপ্তার আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী। 

নিয়াজ শেখ: বরিশাল নগরীর রসুলপুর এলাকার আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী সোহাগীকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দৈনিক নাগরীক বরিশাল-এ প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই কোতয়ালী থানার একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
পুলিশ জানায়, গতকাল রাতের অভিযানে রসুলপুরের নিজ বাসা থেকে সোহাগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৩২ পুরিয়া (প্রায় ১৫০ গ্রাম) গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোতয়ালী থানার এসআই পার্থ, এএসআই সাইফুল, খাইরুল, বাবুল, জিয়া এবং নারী কনস্টেবল মাসুমা। গ্রেপ্তারের পর উদ্ধারকৃত মাদক জব্দ করে সোহাগীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে দৈনিক নাগরীক বরিশাল-এ প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে—সোহাগীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা, পুলিশের তালিকাভুক্ত অপরাধী হওয়া এবং সংবাদ প্রকাশের পরও দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার বিষয়টি। প্রশ্ন তোলা হয়, পুলিশের একাধিক অভিযানের আগেই কীভাবে সোহাগী ও তার সহযোগীরা নিরাপদে পালিয়ে যায় এবং অভিযান শেষে কীভাবে আবার প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা শুরু হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর নগরজুড়ে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটেই কোতয়ালী থানার টিম সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোহাগীকে আটক করতে সক্ষম হয়। যদিও উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমাণ তুলনামূলক কম, তবুও আলোচিত মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে যে অনাস্থা তৈরি হয়েছিল—এই গ্রেপ্তার তার কিছুটা হলেও অবসান ঘটাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাকিব বলেন, মাদক কম বা বেশি বিষয় না, বড় কথা হলো—যাকে কেউ ধরতে পারছিল না, তাকে অবশেষে ধরা হয়েছে। এতে মানুষ আবার আইনের ওপর আস্থা ফিরে পাবে। প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্য এবং তার পরবর্তী গ্রেপ্তার প্রশাসনের জন্য একদিকে যেমন স্বস্তির বার্তা, অন্যদিকে তেমনি ভবিষ্যতে আরও ধারাবাহিক ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তার কথাও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। সচেতন মহলের মতে, একজন শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করাই যথেষ্ট নয়—তার পুরো নেটওয়ার্ক, সহযোগী ও আর্থিক যোগসূত্রের দিকেও নজর দিতে হবে। তবেই মাদকবিরোধী অভিযান কাগজে-কলমে নয়, বাস্তব অর্থেই সফল হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...

https://slotbet.online/