নিজস্ব প্রতিবেদক:
অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে একটি চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিক আসাদকে লক্ষ্য করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, কথিত প্রতারণার ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরার পর থেকেই সাংবাদিক আসাদকে বিতর্কিত করার চেষ্টা শুরু হয়। সম্প্রতি তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব প্রচারণার উৎস, উদ্দেশ্য এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের কারণে ক্ষুব্ধ একটি পক্ষ সাংবাদিক আসাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে অপপ্রচারের আশ্রয় নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো মহলকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ঘটনা অনুসন্ধান করা এবং তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তা জনসমক্ষে তুলে ধরা। একইভাবে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সেটিও যথাযথ প্রক্রিয়ায় তদন্ত করা জরুরি। অভিযোগ সত্য হলে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে; আর অভিযোগ মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সুনাম ও পেশাগত অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এদিকে সাংবাদিক আসাদকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাঁদের মতে, যাচাইহীন তথ্য প্রচারের পরিবর্তে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং স্বাধীন অনুসন্ধানকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণই এখন গুরুত্বপূর্ণ। এতে সাংবাদিক আসাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যেমন যাচাই করা সম্ভব হবে, তেমনি তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ থাকলে সেটিও যথাযথভাবে তদন্তের আওতায় আনা যাবে।
https://slotbet.online/