নিজস্ব প্রতিবেদক | বরিশাল
মাদক, কিশোর গ্যাং ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানায় সদ্য যোগদান করা সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. জামাল এবং অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহম্মদ জহিরুল ইসলাম। অপরাধীদের অন্ধকার পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে তাঁরা স্পষ্ট করেছেন, কাউনিয়া থানা এলাকায় অপরাধ করে পার পাওয়ার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।
গতকাল বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে মো. জামাল এবং অফিসার ইনচার্জ হিসেবে মুহম্মদ জহিরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময়েই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তাঁদের অবস্থান তুলে ধরেন নতুন এই দুই কর্মকর্তা।
তাঁদের বার্তার মূল কথা—অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন। অন্যথায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নতুন কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ, চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে বিশেষ গুরুত্ব দেবেন বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
একই সঙ্গে অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এলাকাবাসীর সহযোগিতা, সচেতনতা ও পুলিশের সক্রিয় ভূমিকার সমন্বয়ে কাউনিয়া থানাকে অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ এলাকায় পরিণত করার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশি সেবা সহজলভ্য করা, অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া নতুন নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এদিকে, নাগরিক বরিশালের পক্ষ থেকে কাউনিয়া থানার নবনিযুক্ত সহকারী পুলিশ কমিশনার মো: জামালকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
কাউনিয়া থানা এলাকার বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, নতুন এসি ও ওসির নেতৃত্বে মাদক, কিশোর গ্যাং ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান পরিচালিত হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবেন।
https://slotbet.online/