অনলাইন ডেস্ক:
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশীয় শাখা ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ (একিউআইএস)-এর উপস্থিতি ও তৎপরতা বৃদ্ধির আশঙ্কাজনক চিত্র উঠে এসেছে। জাতিসংঘের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’-এর এই মূল্যায়নের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি এবং দ্রুততম সময়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জরুরি প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে,একিউআইএস এখন আর বিশাল কোনো দৃশ্যমান ইউনিটে কাজ না করে ছোট ও বিচ্ছিন্ন ‘সেল’ গঠন করে রসদ সংগ্রহ এবং গোপন আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে নিজেদের ক্ষুদ্র সাংগঠনিক ইউনিট প্রতিষ্ঠা করে দেশের সার্বিক পরিস্থিতিকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের চক্রান্ত চালাচ্ছে তারা। দিল্লির লাল কেল্লায় হামলা থেকে শুরু করে পাকিস্তানের বান্নুতে আত্মঘাতী বোমা হামলার পেছনের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করা এই গোষ্ঠীটি এখন আফগানিস্তানের কাবুল কেন্দ্রিক শীর্ষ নেতৃত্বের ছায়ায় দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের বিস্তার ঘটাতে চাইছে।জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এই আন্তর্জাতিক সতর্কবার্তাকে সাধারণ বার্তা হিসেবে না দেখে একিউআইএস-এর এই নীরব ও সুদূরপ্রসারী কৌশল নস্যাৎ করতে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাৎক্ষণিক নড়েচড়ে বসা প্রয়োজন। গোপন সেলের সন্ধান পেতে তৃণমূল পর্যায়ে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের ডিজিটাল অর্থায়ন ও অনলাইন যোগাযোগের ওপর কড়া নজরদারি জোরদার করতে হবে। দৃশ্যমান কোনো সহিংসতা সৃষ্টির আগেই সীমান্ত নিরাপত্তা কঠোর করা এবং জঙ্গি অর্থায়নের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে এই নীরব নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দেওয়াই এখন জাতীয় নিরাপত্তার প্রধান চ্যালেঞ্জ।
https://slotbet.online/