• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশালে ভুয়া ভিডিও দিয়ে পুলিশ কনস্টেবলকে হয়রানির অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি ভুক্তভোগীর। বরিশাল কাউনিয়া থানা পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ১৪টি দেশীয় অস্ত্র, গ্রেপ্তার ২ বরিশালে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ​ব্ল্যাঙ্ক চেক সিন্ডিকেট: চড়া সুদের ফাঁদে ভিটেমাটি শেষ। বিএমপি কমিশনারের আকস্মিক পরিদর্শন:থানা-ফাঁড়িতে স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব সেবার নতুন দিশা। লাইসেন্স নবায়নে চরম অনিয়ম, তদারকির অভাবে ঝুঁকিতে রোগীসেবা; উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের। রক্তক্ষয় নয়, পুনর্নির্মাণ: স্বপ্নভঙ্গের আবর্তে দাঁড়িয়ে কোন বাংলাদেশের অভিমুখে আমরা? বুকে-পিঠে গুলি নিয়ে রাজপথে ছিলাম, আর আজ সুবিধাবাদীদের জায়গা দেওয়া হচ্ছে: বরিশালে ছাত্রদল নেতা এনামের আবেগঘন ফেসবুক স্টাটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি বিএমপি কাউনিয়া থানা পুলিশের সাফল্য:২০টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকদের কাছে হস্তান্তর বরিশাল কোতয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে বিএম-স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে মাদক ব্যবসায়ী রানাসহ আটক ২

বরিশালে ভুয়া ভিডিও দিয়ে পুলিশ কনস্টেবলকে হয়রানির অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি ভুক্তভোগীর।

প্রতিনিধি / ৫৫ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইয়াবা সেবনের ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে বরিশাল ঝালকাঠি জেলায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ রাসেলকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। অন্য এক ব্যক্তির ভিডিওতে রাসেলের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে এই মানহানির চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী। ​দীর্ঘ ১২ বছরের কর্মজীবনে কোনো অপরাধে সম্পৃক্ততা ছিল না উল্লেখ করে কনস্টেবল রাসেল বলেন, “ভিডিওর ব্যক্তিটি আমি নই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এটি ছড়িয়ে আমার পারিবারিক মর্যাদা ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, কনস্টেবল রাসেল পূর্বে বরিশাল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখায় কর্মরত ছিলেন। সে সময় বরিশালে বেশ কয়েকটি বড় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট থেকে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এ বিষয়ে তৎকালীন এপিবিএন-এর এএসপি, বর্তমান (এসপি) খুলনা জোন, বলেন রাসেলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অতি দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ​এই পুলিশ কর্মকর্তা আরো বলেন কোন আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ প্রমানিত হলে অবশ্যই উর্দ্ধতন কর্তৃকপক্ষকে অবহিত করে তাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে কিন্ত অপরাধ প্রমানের আগে এভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোন সদস্যের নামে গুজব ছড়ানো আরো বড় অপরাধ। অপপ্রচারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কনস্টেবল রাসেল আরো জানান, তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতি ও মাদকবিরোধী সামাজিক কার্যক্রমে সক্রিয়। বিশেষ করে তাঁর বড় ভাই এলাকায় মাদকবিরোধী আন্দোলনে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করছেন। কনস্টেবল রাসেল ছুটিতে নিজ এলাকায় গেলে স্থানীয় চিহ্নিত মাদকসেবীদের মাদকের পথ পরিহার করার আহ্বান জানাতেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেই ক্ষোভ থেকেই স্বার্থান্বেষী চক্রটি তাঁর বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। ​সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে পুলিশবাহিনী ছাড়াও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিশানা করে একটি মহল গুজব ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনও ইতোমধ্যে এ ধরনের অপপ্রচারের প্রতিবাদে একাধিক বিবৃতি দিয়েছে। সচেতন নাগরিকদের মতে, পুলিশ বাহিনীর মনোবল ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই একটি চক্র এমন জঘন্য পথ বেছে নিয়েছে। কোনো পুলিশ সদস্য অপরাধে লিপ্ত থাকলে প্রমাণের ভিত্তিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগের সুযোগ রয়েছে, তবে ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে কোনো ব্যক্তিকে সামাজিকভাবে হেয় করা পুরো বাহিনীর সুনামকে কালিমালিপ্ত করার শামিল। অপরদিকে স্থানীয় সচেতন মহলও ঘটনার সত্যতা উদঘাটন করে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...

https://slotbet.online/