• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জামিনে বেরিয়েই মাদক বিক্রি! এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও ২৭১ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার সোহাগীসহ ৪ বরিশালে রহস্য জনক নারী রুবির বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা। কি জানালেন কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা? বরিশালে আইনজীবী সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। বরিশাল কাউনিয়ায় থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ৩ পর্দার আড়ালে বঞ্চিত মানুষের জন্য আরিফুর রহমান শুভর দশকব্যপী নীরব বিপ্লব! বরিশালে মাদক কিংপিন সোহাগী গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা-গাঁজা-নগদ ৭ লাখ টাকা! বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মোঃ আশিক সাঈদ ঠিকানা পড়তে গিয়েই সব অন্ধকার,নিখোঁজ কিশোর সান বর্তমানে কাউনিয়া থানা পুলিশের জিম্মায়। বরিশালে বিপুল পরিমাণ মাদক ইনজেকশনসহ দম্পতি গ্রেপ্তার! ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে চলছে রক্তে ভেজা সিংহাসনের লড়াই—একের পর এক লাশ,নেই থামার নাম!

নিরাপদ খাদ্য আইনের নীতিমালা মানছে না বরিশাল শহরের অধিকাংশ রেস্তরাঁ।

প্রতিনিধি / ৯৯ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

সুমাইয়া জাহান সুমি: বরিশাল নগরীতে যত্রতত্র ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে একের পর এক রেস্তোরাঁ। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের সিংহভাগই চলছে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তালিকায় মাত্র ৩২টি প্রতিষ্ঠানের নাম থাকলেও বাস্তবে নগরীতে রেস্তোরাঁর সংখ্যা হাজারের ওপরে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র ছাড়াই কাঁচঘেরা বহুতল ভবনে গড়ে ওঠা এসব রেস্তোরাঁ এখন একেকটি ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর সদর রোডের বহুতল ইমান আলী টাওয়ারের ৯ম ও ১০ম তলায় অবস্থিত স্টার কাবাব ও স্কাই লাউঞ্জ। প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুটের বিশাল এই রেস্তোরাঁ দুটিতে ক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে মাত্র তিনটি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র। ট্রেড লাইসেন্স আর কর্মীদের স্বাস্থ্য সনদ ছাড়া নেই অন্য কোনো বৈধ কাগজপত্র। এমনকি ‘স্কাই লাউঞ্জ’-এর নামে নথিপত্র থাকলেও সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে ‘স্টার কাবাব’-এর।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে আবেদন করা হয়েছে।’

একই চিত্র দেখা গেছে শহরের নামী রেস্তোরাঁ ‘হান্ডি কড়াই’তে। রুফটপে যাওয়ার পথটি মাত্র দুই ফুট চওড়া, যা জরুরি অবস্থায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া রান্নাঘরের স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। অভিজাত হিসেবে পরিচিত এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেরই নেই নিরাপদ খাদ্য সনদ, ফায়ার সার্ভিস কিংবা পরিবেশ দপ্তরের ছাড়পত্র।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) নথি অনুযায়ী নিবন্ধিত রেস্তোরাঁ ৫৫৫টি থাকলেও বাস্তবে এই সংখ্যা এক হাজারের বেশি। অথচ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের গ্রেডিংয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে মাত্র ৩২টি প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ হোটেল রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, বরিশাল জেলা ও মহানগরীর সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ বিশু আক্ষেপ করে বলেন, ‘আগে সবকিছু একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হতো। এখন অনেক মালিকই কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না।’

বরিশাল জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা গোলাম রাব্বি জানান, ‘বর্তমানে ৩২টি প্রতিষ্ঠান আমাদের গ্রেডিংয়ের আওতায় আছে। বাকিগুলোতে পর্যায়ক্রমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।’

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন জানান, নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ ও নিবন্ধনহীন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই বড় ধরনের অভিযানে নামবেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...

https://slotbet.online/