অর্নব দক্ত : বরিশাল নগরীর রসুলপুরের মাদক সম্রাগী সোহাগীর নেতৃত্বে শহরে অর্ধশত মাদকের স্পটে চলছে মাদক বেচাকেনা। এদের মধ্যে পলাশপুরের বৌ-বাজার এলাকার গাঁজা কালাম, পলাশপুর ৭নং গলির জয়ফুলের ছেলে রিপন, পলাশপুর ২নং গলির নান্টুর ছেলে ইসমাইল, কাউনিয়ার শিশুপার্ক কলোনির বাডি মিরাজ দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এছাড়া ৪নং পলাশপুর ভোজা রাকিব, ৫নং পলাশপুর জামাইবাজারে স্বপন ও শাকিল, ১নং পলাশপুর ডগ স্বপন, ২নং পলাশপুর শামিম, ভাসাই, রাজিব-আঁখি দম্পতি, মোহাম্মদপুর এলাকার জনি মাদক ব্যবসা করছে। এর বাইরেও বাউয়া সোহাগ, ভাঙারি সোহেল, ময়লাখোলা এলাকায় রাশেদ-লাবণী, বাসু মিয়ার গলির বাসিন্দা ভাঙারি রাশেদ ও মুন্নি, বিসিক কমিশনার গলি মীরা সোহেল,সাবু, বিসিক বাস্তুহারা কলোনির সজল, নতুন বাজার এলাকার সজল, শাওন। সোনালী আইসক্রীম এলাকার আরকে খুচরা ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করছে। এছাড়াও সোহাগীর সহযোগীদের মধ্যে তালতলি এলাকায় রাসেল মেম্বার ইয়াবার পাইকারি বিক্রেতা। বিমানবন্দর থানা এলাকার অন্যতম মাদক ব্যবসায়ী চহটা গ্রামের চডা রাসেল। কাশিপুরের জাহিদ ও কাশিপুর বাজারের সজল ইয়াবা ও ফেনসিডিল বিক্রি করে আসছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বন্দর থানার চরকাউয়া মুসলিম পাড়া এলাকার রাজু-লাকি দম্পতি, চরকাউয়া বড়ইতলা এলাকার কবির, ছোট্ট ওরফে রনি, চরকাউয়া খেয়াঘাট মিলন, চরকাউয়া জিরোপয়েন্ট এলাকার হাড্ডি সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করছে। এছাড়াও চরআইচা এআরখান এলাকার মিজান ও তার ছেলে জিয়া, কর্নকাঠী চৌমাথা এলাকার রুবেল, রাজিব, শুভ, চরকরঞ্জি এলাকার রিশাদ, শাহ আলম, দিনারের পোল এলাকার শাওন ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রির সঙ্গে জড়িত।এ বিষয়ে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, এদের সবার বিরুদ্ধেই একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে আমাদের বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত কাজ করছে। এসব মাদক ব্যবসায়ীর কারও অবস্থান শনাক্তের সঙ্গে সঙ্গে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স। মাদক কারবারিরা যতই শক্তিশালী হোক তাদের সমূলে নির্মূলে আমরা কাজ করছি।
https://slotbet.online/