• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এলপিজির তীব্র সংকট, ১২ কেজির সিলিন্ডার ২১০০ টাকা। বাবাকে মারধর, চা-রুটি হাতে ৯ বছরের মেয়ের ছুটে আসা। বিএমপি ডিবির অভিযানে ১,০০০ পিস কথিত ইয়াবাসহ আটক ১ বরিশালে সোহাগীকে ধরতে ব্যার্থ অভিযান : রসুলপুরে মাদক সিন্ডিকেটের ‘গা-ঢাকা’ কৌশল। বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানের আড়ালে সক্রিয় রসুলপুরের সোহাগী সিন্ডিকেট। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’র গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়’র প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মন্জুর সুমন এর বরিশাল শুভাগমনে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম বরিশাল জেলা দক্ষিন ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এ-সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের বরিশাল জেলা দক্ষিন আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান মিল্টন, মহানগর আহবায়ক মো. জুয়েল খান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বরিশাল কাউনিয়া থানার বিশেষ অভিযানে ১৫ দিনে ৯৩ জন আটক। বরিশালে ভাড়া বাসা থেকে আইনজীবি সহকারীর লাশ উদ্ধার। মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর কাউনিয়া থানা। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ!

চরকাউয়া খেয়াঘাটে ভাসমান দোকান থেকে মাসে অর্ধলক্ষাধিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ শুল্কপ্রহরী মাইনুল ও বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মাসুমের বিরুদ্ধে।

প্রতিনিধি / ২৫৫ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: বরিশাল নগরীর নদী বন্দর সংলগ্ন চরকাউয়া খেয়াঘাট এলাকায় ভাসমান দোকান থেকে নিয়মিত চাঁদা তোলার মাধ্যমে প্রতি মাসে অর্ধলক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিআইডব্লিউটিএর শুল্কপ্রহরী পদে কর্মরত মাইনুলের বিরুদ্ধে। কোনো সরকারি স্লিপ বা নির্ধারিত আদায় পদ্ধতি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে এ অর্থ দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদাররা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, খেয়াঘাটের আশপাশে ৫০-৬০টি ভাসমান ক্ষুদ্র দোকানে চা, সবজি, ফলমূল ও নিত্যপণ্য বিক্রি করে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে আসেন। কিন্তু তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে শুল্কপ্রহরী মাইনুল এক ধরনের গোপন চাঁদাবাজি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। তিনি সরাসরি টাকা না তুলে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মাসুম ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে দোকানপ্রতি ৩০-৫০ টাকা হারে দৈনিক চাঁদা সংগ্রহ করান। মাস শেষে এই টাকাই মাইনুল নিজ হেফাজতে নেন বলে অভিযোগ।

ভুক্তভোগীরা জানান, ৫ আগস্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাময়িক বিরতির পর মাইনুল পুনরায় চাঁদা সংগ্রহ শুরু করেন এবং উপরস্থ কর্মকর্তাদের “ম্যানেজ” করে কার্যক্রম চালিয়ে যান। তাদের অভিযোগ—“৫ আগস্ট দেশ স্বাধীন হলেও মাইনুলের অবৈধ চাঁদাবাজির হাত থেকে এখনো মুক্তি নেই খেটে খাওয়া মানুষের।”

স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ দোকানদাররা এই অবৈধ কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা বলেন, কোনো সরকারি অনুমোদন বা বিধান ছাড়াই চাঁদা আদায় স্পষ্ট অপরাধ। তারা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কয়েকজন স্থানীয় নেতা।

অভিযুক্ত শুল্কপ্রহরী মাইনুল সাংবাদিকদের জানান, মাসিক অর্থ আদায়ের বিষয়টি নদী বন্দর কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানেন। তার নির্দেশে বন্দরের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন পরিশোধের জন্যই এই টাকা সংগ্রহ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। তবে সরকারিভাবে চাঁদা তুলে বেতন দেওয়ার কোনো বিধান আছে কি না—এ প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি মাইনুল। তিনি প্রতিবেদককে বন্দর কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

বন্দর কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, “বিষয়টি আমার জানা নেই।

চরকাউয়া খেয়াঘাটে দিনমজুর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর এই কথিত চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রশাসন কতটা গুরুত্ব দেয়—এখন তা-ই দেখার অপেক্ষা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...

https://slotbet.online/