• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বহু নাটকীয়তার পর সাভারের বহিষ্কৃত ছাএদল নেতা সামির ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার সাভারে জোড়া মামলায় ‘পিস্তল মানিক’ গ্রেপ্তার, প্রধান আসামি সামির এখনও অধরা *পরকীয়া; একটি ভয়ানক সামাজিক ব্যাধি* ৫ নম্বর ওয়ার্ড সচিব জসিমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ! বরিশাল পলাশপুর এলাকায় বাবুর সাহসিকতায় মাদকের বিরুদ্ধে তরুণদের দৃষ্টান্তমূলক প্রতিরোধ গঠন। ব্যক্তিগত সুদের চুক্তি বা চেকের আইনি বৈধতা নেই: জেনে নিন বৈধ ক্ষুদ্রঋণের নিয়ম সিএমপি মেট্রোপলিটন পুলিশে ব্যাপক রদবদল। বরিশালে কোতোয়ালি থানা পুলিশের অভিযান: নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ইয়াবা ও মোটরসাইকেল উদ্ধার ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব: নেতিবাচক অর্থনৈতিক প্রভাব ও উত্তরণের উপায় ৫ জেলায় নতুন এসপি, পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১২ কর্মকর্তাকে বদলি

ফরচুন সুজের চেয়ারম্যানের ভাইসহ গ্রেপ্তার ৩ : কোটি টাকার পণ্য আত্মসাতের চেষ্টা।

প্রতিনিধি / ২৬৭ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫

বরিশাল, ০১ নভেম্বর ২০২৫ | নিজস্ব প্রতিবেদক

বরিশালের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ফরচুন সুজ লিমিটেডের কোটি টাকার রপ্তানিযোগ্য জুতা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের ছোট ভাই রবিউল ইসলাম (৪০)। এ ঘটনায় দুটি কভার্ড ভ্যানও জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) মধ্যরাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানার ওসি ইসমাইল হোসেন।

গ্রেপ্তারকৃত অন্য দুইজন হলেন —

১. জামাল হোসেন (২৯), বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর রাজকর খানবাড়ির বাসিন্দা ও কভার্ড ভ্যানচালক।
২. মো. শান্ত (২৬), ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চোরকোল মধুহাটি এলাকার শুক্কুর আলীর ছেলে।

মামলার বাদী ফরচুন সুজ লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা জাহিদ হাসান। তিনি প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ওই তিনজনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুজনকে আসামি করে কাউনিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, নেদারল্যান্ডে রপ্তানির উদ্দেশ্যে পাঠানো ১০ হাজার ৮১২ জোড়া জুতা চট্টগ্রাম বন্দরে না পৌঁছে অজ্ঞাত স্থানে নেওয়া হয়। এসব জুতার বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা।

ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, “২৭ অক্টোবর রাতে ফরচুন সুজ লিমিটেডের বরিশাল বিসিক কারখানা থেকে দুটি কভার্ড ভ্যানে পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠানো হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তারা পৌঁছায়নি। পরদিন ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও চালকদের পাওয়া যায়নি।”

পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ পণ্যচুরির এই চক্রের অবস্থান শনাক্ত করে। মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ছগীর হোসেন এবং এসআই হরষিত মণ্ডলের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান চালিয়ে সীতাকুণ্ড থেকে রবিউলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার বিকেলে তাদের বরিশালে নিয়ে আসা হয়। পুলিশ জানায়, জব্দ করা কভার্ড ভ্যান এবং আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এই ঘটনার পেছনে ফরচুন সুজের ভেতরের কোনো সংঘবদ্ধ চক্রও থাকতে পারে। তদন্তে সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...

https://slotbet.online/