বরিশাল, ০৮ আগস্ট ২০২৬: বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার জনাব আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ গতকাল (০৭ আগস্ট) মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ চারটি থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের প্রাথমিক পর্যায়েই এই অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপ জনমনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। পরিদর্শনকালে বন্দর থানা, কাউনিয়া থানা, আমানতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি ও কোতোয়ালি মডেল থানা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। প্রতিটি স্থানে তিনি অফিসারদের সঙ্গে মতবিনিময়, মামলার অগ্রগতি, জিডি নথিপত্র, অস্ত্রাগার ও ডেস্কের কার্যক্রম যাচাই করেন। পাশাপাশি থানায় আগত সাধারণ মানুষের সেবাপ্রাপ্তির গতি-মানও খোঁজ নেন। নবাগত এই কমিশনার থানা-ফাঁড়ির কর্মকর্তা-ফোর্সকে বলেন, “শুধু অপরাধ দমন নয়, জনগণের আস্থা অর্জনই পুলিশের মূল চাবিকাঠি। প্রতিটি অভিযোগ যেন জবাবদিহিতার মধ্য দিয়ে নিষ্পত্তি হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।” তিনি ডিজিটাল সেবার প্রসার, অভিযোগ গ্রহণে সময়ানুবর্তিতা এবং নারী-শিশুবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) মোঃ আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার (পিপিএম), সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) অলক কান্তি শর্মা ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট) মার্জিয়া রহমান-সহ থানা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পুলিশ কমিশনারের এই হঠাৎ উপস্থিতি থানা-ফাঁড়ির কর্মীদের মধ্যে কর্মস্পৃহা বাড়িয়েছে। কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনজিত চন্দ্র নাথ নাগরীক বরিশালকে জানায়, “উর্ধ্বতন কর্মকর্তার এভাবে প্রত্যক্ষ তদারকি আমাদের আরও সচেতন ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং মনোবল বাড়ায়। বিএমপি সূত্রে জানা গেছে, আগামী দিনে মহানগরীর সব থানা ও ফাঁড়ি নিয়মিত ভিজিটের পাশাপাশি অনলাইন অভিযোগ ব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। কমিশনার সালেহ্ এর এই যাত্রা শুরু থেকেই জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে—পুলিশপ্রধান হিসেবে তিনি স্বচ্ছতা,জবাবদিহিতা ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। পরিদর্শন শেষে নবাগত পুলিশ কমিশনার সবার প্রতি আহ্বান জানান, “থানা ও ফাঁড়ি জনগণের সেবাকেন্দ্র—এখানে কোনো অবহেলা চলবে না। সবাই মিলে বরিশালকে অপরাধমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ রাখতে কাজ করবো।
https://slotbet.online/